নিরাপদ সড়ক ও ডিজিটাল বাংলাদেশ আন্দোলন

Posted on 2018-09-12

‘নিরাপদ সড়ক চাই’-(ইংরেজীতে) ‘আমরা বিচার চাই’- এমন দুটি স্লেøাগানের মধ্য দিয়ে আমরা ২০১৮ সালের জুলাইয়ের শেষ ও আগস্টের শুরুর সময়টা কাটিয়েছি। প্রায় সকলের কাছেই এটি এখনও একেবারে তরতাজা স্মৃতি। বাংলাদেশের এমন কোন মানুষ পাওয়া যাবে না যিনি ছাত্রছাত্রীদের সেই সময়কার আবেগ ও দাবির প্রতি পূর্ণ সমর্থন প্রদান করেননি। খোদ প্রধানমন্ত্রী নিজে, মন্ত্রিসভার সদস্যবৃন্দ, সরকারী ও অন্য সব দল এই আন্দোলনের প্রতি পূর্ণ সমর্থন জানিয়েছেন। কিন্তু একটি অসাধারণ সুন্দর অনুভূতি অবশেষে বিএনপি-জামায়াত-শিবিরের হীন রাজনৈতিক উদ্দেশ্য চরিতার্থ করতে গিয়ে পথ হারায়। এটি সুখবর যে, বিএনপি-জামায়াত-শিবিরের সেই চক্রান্ত শেষ প্রান্তে এসে সফল হতে পারেনি। প্রধানমন্ত্রী অনন্য সাধারণ ধৈর্য ধরে পুরো পরিস্থিতি মোকাবেলা করেছেন। তবে আন্দোলন বিপথগামী হতে শুরু করলে গুজব থেকে দেশকে রক্ষা করতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীও অত্যন্ত দক্ষতার সঙ্গে তাদের দায়িত্ব পালন করেছেন। শিক্ষার্থীরা আবার তাদের লেখাপড়ায় ফিরে গেছে এবং সরকার তাদের সকল দাবি মেনে নিয়ে সেই সব বাস্তবায়নে পূর্ণ উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। ২০১৮ সালের ২৯ জুলাই এই আন্দোলনের শুরু এবং ৮ আগস্টের সমাপ্তি। ২৯ জুলাই ঢাকার শহীদ রমিজউদ্দিন ক্যান্টনমেন্ট কলেজের দুই শিক্ষার্থী বাস দুর্ঘটনায় নিহত হলে এই আন্দোলনের সূচনা হয়। আন্দোলনের নেতৃত্ব কোন সুনির্দিষ্ট নিউক্লিয়াস আমি অন্তত খুঁজে পাইনি। তবে কেউবা কোন স্তর হতে তাদের পক্ষ থেকে নয়টি দাবি তোলা হয়েছে। দাবিগুলো হলো : ১. দ্রুতগতিতে গাড়ি চালিয়ে দু’জন শিক্ষার্থীর মৃত্যুর জন্য দায়ী চালককে মৃত্যুদ- প্রদান করতে হবে এবং এই শাস্তি সংবিধানে সংযোজন করতে হবে। ২. দুর্ঘটনার পর করা নৌপরিবহন মন্ত্রী শাজাহান খানের বক্তব্য প্রত্যাহার করে শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে নিঃশর্ত ক্ষমা চাইতে হবে। ৩. শিক্ষার্থীদের চলাচলে এমইএস ফুট ওভারব্রিজ বা বিকল্প নিরাপদ ব্যবস্থা নিতে হবে। ৪. প্রত্যেক সড়কের দুর্ঘটনাপ্রবণ এলাকাতে স্পিডব্রেকার দিতে হবে। ৫. সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ছাত্রছাত্রীদের দায়ভার সরকারকে নিতে হবে। ৬. শিক্ষার্থীরা বাস থামানোর সিগনাল দিলে, থামিয়ে তাদের বাসে তুলতে হবে। ৭. শুধু ঢাকা নয়, সারাদেশের শিক্ষার্থীদের জন্য হাফ ভাড়ার ব্যবস্থা করতে হবে। ৮. ফিটনেসবিহীন গাড়ি রাস্তায় চলাচল বন্ধ ও লাইসেন্স ছাড়া চালকরা গাড়ি চালাতে পারবে না। ৯. বাসে অতিরিক্ত যাত্রী নেয়া যাবে না। তাদের দাবিকে যৌক্তিক মনে করে সরকার সড়ক পরিবহন আইনের খসড়া মন্ত্রিসভায় অনুমোদন করে এবং তাদের দাবিগুলো পূরণের উদ্যোগ গ্রহণ করে। তবে আমার কাছে মনে হয়েছে এই দাবিগুলো মূল সমস্যার সমাধানে পুরোপুরি সক্ষম হবে না। দাবিগুলো বাস্তবায়নের ফলে সড়ক পরিবহনে কিছুটা শৃঙ্খলা ফিরে আসবে বটে- কিন্তু প্রকৃত সমাধান হচ্ছে পুরো ব্যবস্থাটির ডিজিটাল রূপান্তর। এই অল্প বয়সের ছেলেমেয়েরা কেন যে সেই কথাগুলো বলল না, সেটিই আমার নিজের কাছে অবাক লেগেছে। এতে মনে হয়, আমরা আমাদের নতুন প্রজন্মের হাতে ফেসবুক তুলে দিয়েছি, কিন্তু ডিজিটাল বানাতে পারিনি। ওরা হয়ত এখনও ডিজিটাল রূপান্তরের ধারণাটি অনুভব করতে পারে না। কেউ যদি ছাত্রছাত্রীদের দাবিগুলো খতিয়ে দেখে তবে তার মাঝে অপেশাদারিত্ব চোখে পড়বে। এটি স্বাভাবিকও। ওদের দ্বারা একটি বিজ্ঞানসম্মত দাবিনামা তাৎক্ষণিকভাবে পেশ করা সহজ কাজ নয়। প্রথম দাবিতে তারা দুর্ঘটনাকারী গাড়ি চালকের মৃত্যুদ- চেয়ে সেটি ‘সংবিধানে সংযোজন’ করতে বলেছে। এ রকম বিধানের জন্য যে আইন হয়, সংবিধানে যে এটি সংযোজন করা যায় না সেটি তারা বোঝেনি। নৌপরিবহন মন্ত্রীর বক্তব্য প্রত্যাহার এবং ক্ষমা চাওয়া বিষয়ক দ্বিতীয় দাবিটি আবেগতাড়িত হলেও যুক্তিসঙ্গত। আন্দোলনের সময় এমন দাবি উঠতেই পারে। তবে আমাদের বুঝতে হবে যে, নৌমন্ত্রীর ক্ষমা চাওয়ায় সড়ক ব্যবস্থা নিরাপদ হবে না। তৃতীয় দাবিটি যৌক্তিক। তারা শিক্ষার্থীদের জন্য ফুট ওভারব্রিজ চেয়েছে। এটি অবশ্য সকল জনগণেরই দাবি। তবে বিদ্যমান ফুট ওভারব্রিজ যে ছাত্রছাত্রীরাও ব্যবহার করে না সেটিও উপলব্ধি করা দরকার এবং এ জন্য তাদের নিজেদের শিক্ষিত হওয়া আবশ্যক। চতুর্থ দাবিটি স্পিড ব্রেকারের। এটিও যুক্তিসঙ্গত। তবে এটি কেবল নির্দিষ্ট স্থানের জন্য না করা হলে এবং হাইওয়েতে যত্রতত্র স্পিড ব্রেকার দিলে সড়ক দুর্ঘটনা আরও বেড়ে যেতে পারে বলে মনে করার যথেষ্ট যুক্তি রয়েছে। ৫ম দাবিতে তারা দুর্ঘটনাকবলিত ছাত্রছাত্রীদের দায় সরকারকে নিতে বলেছে। দাবিটি যুক্তিসঙ্গত। তবে এর সম্প্রসারণও হতে পারে। দুর্ঘটনায় আহত-নিহত ছাত্রছাত্রী কেন, সামাজিক নিরাপত্তায় সকলকেই আনা যেতে পারে। ৬ নম্বর দাবিতে ছাত্রছাত্রীদের হাত তুললেই গাড়িতে তোলার দাবি তুলেছে। এই দাবিটি সড়ক পরিবহন ব্যবস্থাপনার সঙ্গে যৌক্তিক কিনা সেটি ভাবা দরকার। কারণ এর ফলে বাসকে যেখানে সেখানে থামাতে হবে। তাতে সড়ক নিরাপদ না হয়ে অনেক বেশি অনিরাপদ হয়ে উঠতে পারে। ৭ নম্বর দাবিতে ছাত্রছাত্রীরা হাফ ভাড়ার দাবি করেছে। এক সময়ে আমরা পরিবহন ভাড়ার পাশাপাশি হাফ টিকেটে সিনেমা দেখার দাবিও তুলেছিলাম। তবে সেদিনের প্রেক্ষিত এখন বোধহয় বিরাজ করে না। এই দাবিটি এমন হতে পারত যে, সরকারী সকল পরিবহনে ছাত্রছাত্রীদের ভাড়া অর্ধেক হবে। বেসরকারী পরিবহন মালিকরা ছাত্রছাত্রীদের এই দাবি মানবে বলে মনে হয় না। ৮ নম্বরে ফিটনেসবিহীন গাড়ি চালানো বন্ধ এবং লাইসেন্সবিহীন গাড়ি চালনা বন্ধ করতে বলা হয়েছে। ৯ নম্বরে বাসে অতিরিক্ত যাত্রী বহন না করতে বলা হয়েছে। এই দুটি দাবিই পরিস্থিতির জন্য শিথিল হয়ে যায় এবং বস্তুত সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনার সঙ্গে এর ব্যাপক সম্পৃক্ততা রয়েছে। আমি নিজে খুব অবাক হয়েছি যে, তাদের দাবিনামায় ট্রাফিক সিগনাল শব্দটিই উচ্চারিত হয়নি। অথচ যানবাহন চলাচলের জন্য ট্রাফিক সিগনাল না থাকার কথা ভাবাই যায় না। ঢাকা শহরে ট্রাফিক সিগনাল আছে এবং তাতে লাল-সবুজ-হলুদ বাতি জ্বলে। তবে কাকতালীয় বিষয় হচ্ছে সবুজ বাতি জ্বলার সময় গাড়ি চলে না এবং লাল বা হলুদ বাতি জ্বলার সময় গাড়ি চলে। অথবা অন্য কোন ব্যতিক্রম হয়। তবে ট্রাফিক বাতি অনুসারে যানবাহন চলে না। প্রধানত হাত উঠিয়ে-নামিয়ে ট্রাফিক চলাচল নিয়ন্ত্রণ করা হয়। ছাত্রছাত্রীরা হয়ত ভাবেইনি যে ট্রাফিক সিগনাল ব্যবস্থা বিজ্ঞানসম্মত না হলে সড়ক নিরাপদ হতে পারে না। আমি খুশি হতাম যদি ছাত্রছাত্রীরা তাদের দাবিতে ফুটপাথ, সড়ক-মহাসড়ক অবৈধ দখলমুক্ত করার কথা বলত, বিজ্ঞানসম্মত সড়ক নির্মাণের কথা বলত, দ্রুত গতির ও শ্লথগতির বাহনের জন্য আলাদা লেনের কথা বলত। একই সঙ্গে তারা যদি পুরো দেশবাসীকে সড়ক-মহাসড়কে চলাচলের নিয়ম মেনে চলার আহ্বান জানাত, তবে আমরা আন্দোলনে আরও বেশি সমর্থন দিতে পারতাম। তারা সড়কে নেমে কাগজ পরীক্ষা বা সড়কের ব্যবস্থাপনা করার যে দারুণ দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে সেটি অতুলনীয়। কিন্তু এটা তো সত্য যে, তাদের কর্মক্ষেত্র ক্লাসরুমে-সড়কে না। তাই তাদের দৃষ্টান্ত স্থাপনটিকে স্থায়ী করার জন্য সকলকে সচেতন করার আহ্বান জানানোটা জরুরী ছিল। এই আন্দোলন চলার সময়েই আমি ফেসবুকে নোংরা পোস্টারের বিরোধিতা করে স্ট্যাটাস দিয়েছি। একইভাবে আমি ফেসবুকে দুটি স্লোগান সংবলিত পোস্টার দেখেছি। একটিতে লেখা ছিল ৪জি চাই না-নিরাপদ সড়ক চাই। অন্যটিতে ছিল ডিজিটাল বাংলাদেশ চাই না, নিরাপদ সড়ক চাই। আমার নিজের কাছে এসব স্লোগান গুটিকয়েকের ভাবনার ফসল বলে মনে হয়েছে। আমি মনে করি, এই দুটি স্লোগান আমাদের নতুন প্রজন্মের নয়। ওরা ডিজিটাল প্রজন্ম ফলে তাদের পক্ষে এমন স্লোগান দেয়া সম্ভব নয়। আমরা এটাও লক্ষ্য করেছি যে, এই ছাত্রছাত্রীদের কেউ কেউ বাংলার চাইতে বেশি গুরুত্ব দিয়ে ইংরেজী স্লোগান দিয়েছে। সম্ভবত ইংরেজী মাধ্যম স্কুলগুলোর আধিপত্য অনেক ছিল বলে আমরা ইংরেজী দাবি শুনেছি রাষ্ট্রভাষা বাংলার দেশে। তার চাইতেও চরম দশা দেখলাম যে, কোন কোন কিশোরী বা শিশুদের হাতে মুখে উচ্চারণ করা যায় না এমন নোংরা ও অশ্লীল স্লোগান লেখা ছিল। আমি নিজে এর ব্যাখ্যা করি এভাবে যে স্বতঃস্ফূর্ত কোন আন্দোলনে কেউ কেউ এমন অপকর্ম করেই থাকে। আন্দোলনের এক স্তরে পরিকল্পিতভাবে খুন-ধর্ষণ ও চোখ নষ্ট করার গুজব রটানো আন্দোলনকে বিভ্রান্ত করার জন্য একটি পরিকল্পিত চক্রান্ত; সেটি নতুন করে বলার দরকার পড়ে না। উইকিপিডিয়া থেকে প্রাপ্ত তথ্য অনুসারে, ‘২০১৫ সাল থেকে ২০১৮-এর জুলাই পর্যন্ত সারাদেশে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত হয়েছে ২৫ হাজার মানুষ এবং আহত প্রায় ৬২ হাজার। বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের করা গবেষণা অনুযায়ী, এসব সড়ক দুর্ঘটনার ৫৩ ঘটে গাড়ির অতিরিক্ত গতির কারণে; ৩৭ চালকের বেপরোয়া মনোভাবের কারণে এবং আর ১০ গাড়ির ত্রুটি ও পরিবেশের কারণে।’ এই হিসাবটির পাশাপাশি আরও তথ্য হলো : বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষের হিসাবে ২০১৮ সালে দেশে চলমান বৈধ গাড়ির সংখ্যা ৩৫ লাখ ৪২ হাজার, কিন্তু বৈধ লাইসেন্সধারী চালকের সংখ্যা ২৬ লাখ ৪০ হাজার। অর্থাৎ প্রায় ৯ লাখ গাড়ি লাইসেন্সবিহীন চালক দ্বারা চালিত হয়। উপরন্তু দেশে ফিটনেসবিহীন যানবাহনের সংখ্যা ৪ লাখ ৯৯ হাজার। বিদ্যমান অবস্থাতে গবেষণা করে এসব তথ্য খুঁজে বের করতে হয়েছে। অথচ এসব তথ্য যে কেউ যে কোন সময়ে একটি আঙ্গুলের ডগায় পাবে এটাই এখনকার অবস্থা হওয়া উচিত। এই ছাত্রছাত্রীদের দাবিগুলোর যদি আমাকে খসড়া বানাতে বলা হতো তবে আমি প্রথমেই বলতাম পরিবহন ব্যবস্থার ডিজিটাল রূপান্তর করুন। সকল যানবাহন, চালক, মালিক, রুট পারমিট, ফিটনেস, ট্রাফিক সিগনাল, ট্রাফিক নিয়ন্ত্রক, যান চলাচলের বা তার অবস্থানের প্রকৃত অনলাইন তথ্য ডিজিটাল হওয়া উচিত। যত দিন এসব কায়িক পদ্ধতিতে সম্পন্ন হবে ততদিন এসব নিয়ে দুর্নীতি চলমান থাকবে ও প্রকৃত তথ্য কারও কাছেই থাকবে না। বিআরটিএ কেন তার সকল কাজই ডিজিটাল করেনি সেটি নিয়ে ছাত্রছাত্রীরা প্রশ্ন তুললে আমি সবচেয়ে বেশি খুশি হতাম। ছাত্রছাত্রীদের দাবির মাঝে চালক ও ফিটনেস বিষয়ক যে সমস্যার কথা বলা হয়েছে তাকে যদি ডিজিটাল করা না হয় তবে ঘুষ দিয়ে লাইসেন্স পাওয়া এবং গাড়ির ফিটনেস না থাকলেও তার ফিটনেস পাওয়া অব্যাহত থাকবে। একটি বিষয় বোধহয় আমাদের সকলেরই অনুভব করা উচিত যে, গাড়ির ইঞ্জিনে চিপস থাকা বা মাদারবোর্ড দিয়ে গাড়ি নিয়ন্ত্রণ করা, গাড়িতে আরএফ স্টিকার থাকা, জিপিএস রাখা ইত্যাদি এখন আর সায়েন্স ফিকশনের বিষয় নয়। এসব গাড়িসহ বিদ্যমান গাড়িগুলোকে চোখের নজর আর হাতে ধরে ফিটনেস পরীক্ষা করা বোকামি ছাড়া আর কিছু নয়। সামনের দিনে আমরা চালকবিহীন গাড়ির যুগে বসবাস করব সেটিও সম্ভবত মনে রাখা দরকার। নতুনতম প্রযুক্তি যেমন কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, রোবোটিক্স, বিগ ডাটা, আইওটি এসবের প্রয়োগের বিষয়টিও মনে রাখা দরকার। অন্যদিকে দেশের সকল নগর, সড়ক মহাসড়কে ভিডিও ক্যামেরা স্থাপন, ডিজিটাল সিগনালিং ব্যবস্থা প্রচলন, জিপিএস ব্যবহার ইত্যাদি বিষয়ে দাবি তোলাটা খুবই প্রয়োজনীয় ছিল। আমি নিজে কিন্তু এটি বিশ্বাস করি যে, আমাদের নতুন প্রজন্ম নিজেরা যখন নিরাপদ সড়ক নিশ্চিত করবে তখন তাদের সবচেয়ে বড় হাতিয়ার হবে আজ ও আগামীকালের ডিজিটাল প্রযুক্তি। মান্ধাতার আমলের ঘুণে ধরা ব্যবস্থাকে ডিজিটাল রূপান্তরের মধ্য দিয়ে আমাদের সোনার টুকরো ছেলেমেয়েরা নতুন একটি সভ্যতা নির্মাণ করবে সেই প্রত্যাশা আমরা করি। আমি এটিও প্রত্যাশা করি যে, তারা নিজেরা ডিজিটাল হবে ও দেশটাকে ডিজিটাল বানাবে। ঢাকা : ২৪ আগস্ট ২০১৮, লেখক তথ্যপ্রযুক্তিবিদ, কলামিস্ট, দেশের প্রথম ডিজিটাল নিউজ সার্ভিস আবাসের চেয়ারম্যান- সাংবাদিক, বিজয় কীবোর্ড ও সফটওয়্যারের জনক ॥ ই-মেইল : : mustafajabbar@gmail.com, ওয়েবপেজ : www.bijoyekushe.net.bd, www.bijoydigital.com.bd

 

কপিরাইট © মোস্তাফা জব্বার

প্রযুক্তি এবং সার্বিক ব্যবস্থাপনায়: আনন্দ কম্পিউটার্স